
সদস্য ২৭ দেশের জন্য সম্মিলিতভাবে ভ্যাক্সিন প্রস্তত ও সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইইউ। এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ফ্রান্স ও জার্মানী। শুক্রবার এক অনলাইন প্রেস কনফারেন্সে এ বিষয়ে যৌথভাবে সমর্থন জানান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ ও জার্মান চ্যান্সেলর এঙ্গেলা মেরকেল।
সদস্য ২৭ দেশের একত্রে ভ্যাক্সিন অর্ডার করার কোনো বিকল্প দেখছে না ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। পুরো ইউনিয়ন মিলে যে পরিমান ভ্যাক্সিন অর্ডার করা হয়েছে সে তুলনায় প্রোডাকশন ক্যাপাসিটি খুবই কম। এ কারণে ধীরগতির এ প্রকল্প নিয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এমতাবস্থায় অসুস্থ প্রতিযোগিতা না করে ২৭ সদস্য দেশের সকলের জন্য সম্মিলিতভাবে ভ্যাক্সিন অর্ডার ও সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইইউ। আর এ সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন
অর্ডারকৃত ৪৫ কোটি ভ্যাক্সিন প্রস্তত করার ব্যবস্থা গড়ে তুলতেই হিমশিম খাচ্ছে ঔষধ প্রস্ততকারক কোম্পানীগুলো। শুরুটা যেমনই হোক, বন্টন ও সরবরাহ যেন সমান ভাবে হয় তাতেই গুরুত্ব দিয়ে মেরকেল বলেন “কেমন দেখাবে যদি আমরা একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা শুরু করে দেই ভ্যাক্সিন পাওয়া না পাওয়া নিয়ে, তারচেয়ে এটা সমানভাবে বন্টন হোক, তা সংখ্যায় যাই হোক না কেন।”
“এটা আরো প্রস্ততিকে ধীর করে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরী করবে”- সমর্থন জানিয়ে যোগ করেন ম্যাখোঁ।
তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এ সিদ্ধান্ত খুবই যৌক্তিক। আমরা একযোগে কাজ করব”।
ইউরোপিয় জোটের প্রাক্তন সদস্য দেশ বৃটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ভ্যাক্সিন প্রস্তত ও সরবরাহের কাজ খুব ধীরগতির ও লম্বা হচ্ছে বলে ক্ষোভ বিরাজ করছে। “কিন্তু প্রোডাকশন ক্যাপাসিটি যে আমাদের ধারণার চেয়ে এত কম তা আমরা বুঝতে পারি নি”- বলে উল্লেখ করেন ম্যাখোঁ।
কখনো ব্যবহার করা হয় নি এমন প্রযুক্তিতে প্রস্তুত প্রথম উদ্ভাবন এ ভ্যাক্সিন, যার কারিগর ফিজার/বায়ো এনটেক ও মডার্না। অনেক ভ্যাক্সিনের সাথে প্রতিযোগিতায় এই দুটিই সর্বপ্রথম ইইউ এর অনুমোদন পেয়ে জায়গা করে নেয় ভ্যাক্সিনের তালিকায়।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
