
এন আই মাহমুদঃ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই ও উত্তর আমিরাত, বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরণকারী প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে ২০২২ সালে বিজনেস ক্যাটাগরিতে রেমিট্যান্স এওয়ার্ড পেয়েছেন সিলেটের আব্দুল বাসিত।আব্দুল বাসিতের গ্রামের বাড়ি কানাইঘাট উপজেলার আগফৌদ নারাইনপুর গ্রামে।
বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাটিয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫২ জন প্রবাসী ও ৩৯ জন সিআইপিকে এ বছর রেমিট্যান্স এওয়ার্ড প্রদান করেছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাই।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মোঃ আবু জাফর-এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব ইমরান আহমদ এমপি।
আব্দুল বাসিত বলেন, ২০০৭ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসেছি।সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১০ বছরের গোল্ডেন ভিসা পেয়েছি। আমি মূলত ফ্রুসট এবং ভেজিটেবল ইমপোর্ট – এক্সপোর্ট করি বাহরাইন, চায়না, কুয়েত,সৌদি, ইরান, কাতার, ইন্ডিয়া,ভিয়েতনাম থেকে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আমার তিনটি কোম্পানি আছে। (১) আব্দুলবাসিত আব্দুলহক ফুডস্টাফ ট্রেডিং এলএলসি, (২)ফ্রুট ফ্যাক্টরি ফুডস্টাফ ট্রেডিং এলএলসি ও (৩) আব্দুল হক ফুডস্টাফ ট্রেডিং এলএলসি। এই তিনটি কোম্পানিতে ৩৫০ এর বেশি মানুষ আছেন।
বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো আমরা প্রবাসীদের কর্তব্য। প্রবাসীদের কস্টার্জিত রেমিট্যান্স যাতে বৈধ পথে দেশে পাঠানো হয় সে বিষয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে। বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স পাঠালে দেশের অর্থনীতি লাভবান হবে, দেশ এগিয়ে যাবে।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
