
আগামী বছরের এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে দীর্ঘ প্রতিক্ষিত করোনা ভ্যাক্সিন নিয়ে আসার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখো। এলিসি প্যালেসে গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিং এ এ ঘোষনা দেন তিনি। বলা হয়, শুরুতে গুরুতর ঝুঁকিতে আছেন এমন নাগরিকদের প্রাধান্য দিয়ে ধীরে ধীরে সকলের জন্য তা বরাদ্দ করা হবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না এ বছরের শেষের মধ্যেই ইমার্জেন্সি ভ্যাক্সিনের একটি অনুমোদনের জন্য তোড়জোড় শুরু করেছে। এর মধ্যেই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এ ঘোষনা দেন।
এছাড়াও আরো দুটি কোম্পানী, ফিজার ও বায়ো-এন-টেক আরেকটি ভ্যাক্সিনের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। জানা গেছে এটির কার্যকরিতা ৯৫% বলে দাবী করা এ ভ্যাক্সিনটির অনুমোদন পেতে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ফ্রান্সের ভ্যাক্সিন কর্মসূচির রয়েছে ৫ টি স্তর।
প্রথম স্তরে সিনিয়র নাগরিকদের প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার জন, যারা বর্তমানে বয়ষ্ক-কেয়ার হোমগুলোতে বসবাস করছেন তাদেরকে দেয়া হবে এ ভ্যাক্সিন।
দ্বিতীয় স্তরে, ৭৫ বছরের বেশী বয়ষ্ক নাগরিকদের, এবং ৬৫ এর বেশী বয়সের যারা জটিল কোনো রোগে ভুগছেন তারা এর আওতায় আসবেন। এর পর এই বয়সের সকলকে দেয়া হবে।
তৃতীয় স্তরে, ৫০ এর বেশী বয়সের নাগরিকদের যারা জটিলতায় আক্রান্ত তাদের প্রাধান্য দিয়ে, পরে এই বয়সের সকলকে ভ্যাক্সিন দেয়া হবে।
চতুর্থ স্তরে, কোভিড-১৯ কেসের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত এমন ঝুঁকিপূর্ণ সকলকে ভ্যাক্সিনের আওতায় আনা হবে।
পঞ্চম স্তরে, আঠারোর্ধ সকল নাগরিকদের দেয়া হবে এ ভ্যাক্সিন।
তবে, ফ্রান্সের সকল নাগরিককে এ ভ্যাক্সিনের জন্য বাধ্য করা হবে না বলেও জানিয়েছে এএফপি।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
