নবকণ্ঠ ডেস্কঃ মালয়েশিয়ায় প্রতারণার শিকার হওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ১০৪ জন বাংলাদেশি শ্রমিক প্রতিশ্রুত চাকরি না পেয়ে অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যে পড়েন। তাদের কাছ থেকে চাকরি ও ভালো জীবনযাত্রার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল। মালয়েশিয়ায় প্রবেশের পর তাদের কোনো কাজের ব্যবস্থা করা হয়নি এবং তারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন।
এই ঘটনার পর মালয়েশিয়ার শ্রম আদালত প্রতারিত শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেয়। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় এবং তাদের পরিস্থিতির উন্নয়নে মালয়েশিয়া সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।
প্রতারণার শিকার হওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ১০৪ জন বাংলাদেশি শ্রমিক প্রতিশ্রুত চাকরি না পেয়ে অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যে পড়েন। তাদের কাছ থেকে চাকরি ও ভালো জীবনযাত্রার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল। মালয়েশিয়ায় প্রবেশের পর তাদের কোনো কাজের ব্যবস্থা করা হয়নি এবং তারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন।
অভিযুক্ত মালয়েশিয়ান কোম্পানিটিকে আইনগত পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। শ্রমিকদের কোনো কাজ বা আবাসনের ব্যবস্থা না করেই কোম্পানি তাদের পরিত্যাগ করে। ফেব্রুয়ারির ২২ তারিখের সংবাদ প্রতিবেদনগুলির পর, মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় তদন্ত শুরু করে এবং শ্রমিকদের পরিত্যাগ করা হয় বলে প্রমাণিত হয়। আইন লঙ্ঘনের জন্য একাধিক অভিযোগের মুখোমুখি হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে কর্মচারীদের আবাসন, সুযোগ-সুবিধা এবং সুবিধার ন্যূনতম মান আইন ১৯৯০, কর্মসংস্থান আইন ১৯৫৫, ব্যক্তিদের পাচার ও অভিবাসী পাচার বিরোধী আইন ২০০৭ এবং পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬।
এই পদক্ষেপ শ্রমিকদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করতে এবং তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ ভুক্তভোগীদের কিছুটা হলেও স্বস্তি প্রদান করবে এবং ভবিষ্যতে এধরনের প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করবে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
