আশিক চোধুরী যিনি দেশের পতাকাকে নিয়ে গিয়েছিলেন সুউচ্চে, এবার নিয়ে চলছেন দেশের অর্থনীতি

আশিক চোধুরী যিনি দেশের পতাকাকে নিয়ে গিয়েছিলেন সুউচ্চে, এবার নিয়ে চলছেন দেশের অর্থনীতিও

নবকণ্ঠ ডেস্কঃ সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচিত নাম আশিক চৌধুরী। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডিআইএ) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বিইজেডএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে সাড়া ফেলেছেন এই তরুণ নেতা। গত ছয় মাসে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে তার ভূমিকা দেশজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

চাঁদপুরে জন্ম নেওয়া আশিক চৌধুরীর শৈশব কাটে যশোর ও সিলেট ক্যাডেট কলেজে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ) থেকে স্নাতক শেষে উচ্চশিক্ষা নেন যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিজনেস স্কুলে। পেশাগত জীবনে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, এবং এইচএসবিসি-তে কাজের অভিজ্ঞতা তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রস্তুত করে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ড. ইউনূসের আহ্বানে সিঙ্গাপুরের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে বিডিআইএ-র দায়িত্ব নেন তিনি।

মাত্র ৬ মাসে আশিক চৌধুরী বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি যুগান্তকারী চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নাসা, স্টারলিংক, এবং একাধিক বহুজাতিক কোম্পানির উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও, তিনি বিনিয়োগ প্রক্রিয়া ডিজিটাইজেশন এবং “ওয়ান স্টপ সার্ভিস” চালু করে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়েছেন বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পেশাদার স্কাইডাইভার হিসেবেও পরিচিত আশিক। ২০২২ সালে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪১ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে লাফিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী নন্দিনী ও দুই সন্তানকে নিয়ে সময় কাটালেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়ভাবে তার কর্মকাণ্ড শেয়ার করেন।

দেশের অর্থনীতিকে “উচ্চতায়” নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন আশিক চৌধুরী। তার এই যাত্রা সফল হলে বাংলাদেশ বিনিয়োগের নতুন গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

স্কাই ডাইভার হিসেবে দেশের পতাকাকে সর্বোচ্চ উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন অনেক আগেই। আশিক চৌধুরী এবার চেষ্টা করছেন দেশের অর্থনীতিকেও সুউচ্চে নিয়ে যেতে।

 

-191

 

 

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.