নিচের ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে এক ভয়ংকর জঙ্গি অভিনব পদ্দতিতে কমান্ডো স্টাইলে হামাগুড়ি দিয়ে হামলার জন্যে এগিয়ে যাচ্ছে ।
এ এক রোহিঙ্গা জঙ্গি, এই জঙ্গি বাচ্চাটি মুসলিম, এর নাম সারা বিশ্বে প্রচারিত হচ্ছে জঙ্গি হিসেবে । এই জঙ্গিই বার্মায় অশান্তি সৃষ্টি করেছে, তাই শান্তিতে নোবেল বিজয়ী মিয়ানমারের শান্তির পায়রা ওঁ সারা বিশ্বের মানবতার সাবেক আম্মা অং সান সূচি এই জঙ্গিদের দিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আজ সফল হয়েছেন । এই সুঠাম দেহের জঙ্গিকে তিনি তাঁর দেশ থেকে বিতাড়িত করতে সফল হয়েছেন ।
যদিও রয়টার্স বলসে ভিন্ন কথা, শিশুটির বয়স দুই বছরের বেশি হবে না। শিশুটির গায়ে কোনো কাপড় নেই। উদোম গায়ে কাদায় মাখামাখি হয়ে এগিয়ে চলছে শিশুটি। জলাধারের উঁচু পাড়ে শুয়ে বহু কষ্টে দুই হাত, দুই পা একসঙ্গে ব্যবহার করে উঠছে সে। ঠিক যেমন সেনাসদস্যরা ‘ক্রল’ করে।
শিশুটি রোহিঙ্গা। প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসেছে তার স্বজনরা। এখন জীবন বাঁচাতে হয়তো উঁচু পাড়ে ওঠার চেষ্টা করছে শিশুটি। পাড়ে পৌঁছালেই হয়তো মিলবে খাবার।
কাদার রঙের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে ছোট নগ্ন শিশুটির গায়ের রং। ওপরে ওঠার জন্য বাম হাত দিয়ে কিছু একটা ধরার চেষ্টা করছে। বাম পায়ের হাঁটু এগিয়ে ভর দিয়ে ছোট শরীরটাকে ঠেলে তুলছে সে। ছোট্ট নগ্ন পিঠ আর নিতম্বের ওপর ঠিকরে পড়ছে সূর্যের আলো।
পাশেই একটা জামা পড়ে আছে। জানার উপায় নেই জামাটি তারই কি না। কিন্তু পাড়টা একটু উঁচু। সেখানে পৌঁছাতে আরো কষ্ট করতে হবে ওই রোহিঙ্গা শিশুকে।
রয়টার্সের তোলা এ ছবিটি কক্সবাজারের একটি পাহাড়ের ঢালু থেকে তোলা ।
