ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় এবং ইন্ডিয়ানদের জোচ্চুরি

[author ]ফাহিম বদরুল হাসান[/author]

masked_man_2

জেনেভা কনভেনশন(১৯৫১) আইনের আওতায়, যে ক’টি দেশ বিদেশিদের রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়ে থাকে, ফ্রান্স তার মধ্যে অন্যতম। এজন্য পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে লোকজন এসে ফ্রান্সে আশ্রয় প্রার্থনা করে। এখানে বাংলাদেশিদের সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

ফ্রান্সে এশিয়ার অনেক দেশের নাগরিকদের আশ্রয়ের সুযোগ থাকলেও নেই ভারতীয়দের। কিন্তু তারাতো আইনে দিয়ে বেঁধে রাখার মত জাতি নয়। তাই, সাউথ অঞ্চলের ইন্ডিয়ানরা “শ্রীলংকান তামিল জাতি” হয়ে এসাইলাম বা রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করে। এবং আসাম থেকে শুরু করে কলকাতা পর্যন্ত সবগুলো বাটপার “বাংলাদেশি নাগরিক” বলে আশ্রয় চায়।
তারা যে বাংলাদেশি, এটা প্রমান করতে যা কিছু টুকটাক কাগজ লাগে, কিছু দালাল বাংলাদেশ থেকে এনে দেয় বলে শুনা যায়। ইন্ডিয়ানদের এই জুচ্চুরি, ফ্রান্সে থাকা বাংলাদেশিদের একদিকে বেকায়দায় ফেলে, অন্যদিকে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন করে। বাংলদেশটাও বিশ্ব-দরবারে ব্যাপক নিন্দিত হয়।

কারণ, আশ্রয় প্রার্থনার নির্দিষ্ট কৌটাতে যখন ইন্ডিয়ানরা বাংলাদেশি হয়ে যায়, এতে করে অরিজিনাল বাংলাদেশি নাগরিকদের আবেদন রিজেক্ট হওয়ার হার অনেকাংশে বেড়ে যায়। আবার বাংলাদেশের সামগ্রিক অবস্থার উপর তাদের দেয়া মিথ্যা তথ্যের কারণে বিশ্ব-মানচিত্রে দেশের ভাবমূর্তিও তলানি নামতে আছে দিন দিন।

ওরা প্রায় সবাই আবেদন করে এই মর্মে যে, তারা বাংলাদেশি সংখ্যালঘু। দেশে জংগীরা তাদের আত্মীয় কাউকে হত্যা করেছে, জমি-সম্পদ নিয়ে গেছে, মা-বোনদের ইজ্জতে হাত দিয়েছে আরো কত কী! আবেদনপত্রের সাথে জুড়ে দিল, কোনো একসময়ের দাড়ি-টুপিওয়ালা কারো ছবি। হয়তো রাজপথে লাঠি হাতে কিংবা পাটকেল। এভাবেই দেশকে জংগী বানাতে তারা সাহায্য করে যাচ্ছে। ব্যাস…

এগুলোর পর যখন কোনো ইন্ডিয়ান বলে- “বাংলাদেশিরা ছোটলোক, নতুন পাকিস্তান” কিংবা “৭১এ ভারত পাকিস্তানের যুদ্ধে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে”, ইচ্ছা করে সবক’টা অভিশপ্তকে গণধোলাই পরবর্তী ফ্রান্সপুলিশে ধরিয়ে দেই। ওদের কি চামারির স্থান-কাল-পাত্র নেই?…!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.