পর্যটন ব্যাবসায় ফ্রান্সের প্রত্যাবর্তন : বিদেশী পর্যটকদের স্বাগতম

পর্যটন ব্যাবসায় ফ্রান্সের প্রত্যাবর্তন : বিদেশী পর্যটকদের স্বাগতম

পর্যটন ব্যাবসায় ফ্রান্সের প্রত্যাবর্তন : বিদেশী পর্যটকদের স্বাগতম
পর্যটন ব্যাবসায় ফ্রান্সের প্রত্যাবর্তন : বিদেশী পর্যটকদের স্বাগতম

গত বুধবার থেকে বিদেশী পর্যটকদের প্রবেশ চুড়ান্তভাবে উন্মুক্ত করেছে ফ্রান্স। এতে করে গত এক বছরের ভয়বহ দুঃসময়ের ইতি টানতে যাচ্ছে ফ্রান্স বলে মনে করছেন অনেকে। ফ্রান্সের এমন সিদ্ধান্তে দেশটির সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত ছোট-বড় ব্যবসায়ী সকলেই উচ্ছাসিত।
একই সাথে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন ফ্রান্সের পর্যটন মন্ত্রী জঁ ব্যাপটিস্ট লেময়নি। ফ্রান্সে বিদেশী পর্যটকদের স্বাগত জানিয়ে টুইটারে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমরা চাই ফ্রান্স আবারও ডাচ, জার্মান, ইংরেজ, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ ভাষাভাষি মানুষে মুখরিত হয়ে উঠুক। আমরা তাদের শূণ্যতা অনুভব করি।

প্যারিসে পর্যটকদের ব্যাবস্থাপনা নিয়ে কাজ করে থাকে এমন একটি প্রতিষ্ঠান এর ভ্রমণ পরিচালক মার্ক ভার্নেটের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, বিদেশী পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার ফ্রান্সের এ সিদ্ধান্তে তিনি আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন। যদিও জুলাইয়ে মাঝামাঝির আগে পর্যটকদের চাপ তেমন একটা বাড়বে বলে তিনি মনে করেন না। মহামারীর আগে যেখানে মি. ভার্নেট দিনে ৩-৪ টি ট্যুর পরিচালনা করতেন সেখানে লকডাউনের পর প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড এক রকম স্থগিত হয়ে পড়ে। তবে এখন তিনি ফ্রান্স সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তে উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেন, এই দিনটির জন্য আমরা এতদিন মাসের পর মাস অপেক্ষা করে আসছিলাম।

পর্যটকদের জন্য এ অবরোধ তুলে নেয়ার পাশাপাশি খুলে দেয়া হচ্ছে খাবারের দোকান ও রেস্টুরেন্টগুলোও। এখন যেকেউ ভেতরে বসেই খাবার খেতে পারবে।

ইউরোপের বাইরে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে প্রবেশের সময় ভ্যাক্সিন গ্রহণের সনদ দেখাতে হবে। তবে ভ্যাক্সিনটি অবশ্যয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন মেডিসিন এজেন্সির অনুমোদিত হতে হবে। ফ্রান্সে শুধুমাত্র ফাইজার, মডার্না, অ্যাসট্রাজেনেকা এবং জনসন এন্ড জনসনের ভ্যাক্সিনের সনদ গ্রহণ করছে। এর বাইরে চায়না ও রাশিয়ায় ব্যাবহৃত অন্যান্য ভ্যাক্সিনকে অনুমোদন দেয়নি ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন মেডিসিন এজেন্সি।

চারটি ভ্যাক্সিনের যেকোন একটি ভ্যাক্সিন গ্রহণের সনদপত্র প্রদর্শন ছাড়াও অধিকাংশ নন-ইউরোপীয়ানদের ক্ষেত্রে ফ্রান্সে প্রবেশের উপযুক্ত কারণ দর্শানো ও অতিরিক্ত যাচাই-বছাইয়ের সম্মুখিন হতে হবে এবং পৌছানের পর অবশ্যই কোয়ারাইন্টিনে থাকতে হবে।

তবে ইউরোপের দেশগুলো অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকির মধ্যে থাকার সুবাদে সেসব দেশগুলোর নাগরিক ভ্যাক্সিন গ্রহণ ছাড়াই প্রবেশ করতে পারছে ও কোয়ারাইন্টিনে থাকারও প্রয়োজন পড়ছে না।

(এএম)

 

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.