এক বাংলাদেশী পরিবারের পক্ষে দাঁড়িয়ে গেলেন ১৭ হাজার ফরাসী নাগরিক!

এক বাংলাদেশী পরিবারের পক্ষে দাঁড়িয়ে গেলেন ১৭ হাজার ফরাসী নাগরিক!

এক বাংলাদেশী পরিবারের পক্ষে দাঁড়িয়ে গেলেন ১৭ হাজার ফরাসী নাগরিক!
এক বাংলাদেশী পরিবারের পক্ষে দাঁড়িয়ে গেলেন ১৭ হাজার ফরাসী নাগরিক!

অবিশ্বাস্য হলেও মানবতার উদাহরণ তৈরী করে ফেলেছেন ক্যাহোল এবং জুলুভিলের বাসিন্দারা। এক বাংলাদেশী পরিবারের ফ্রান্সে আশ্রয়ের আবেদন নাকচ হবার পর তাদেরকে ফ্রান্সে থাকতে দেয়ার জন্য মানবাধিকার সংগঠন ও প্রতিবেশীদের উদ্যোগে শুরু হয় এক পিটিশন।

এতে এক সপ্তাহেই ১৭ হাজার ফরাসী নাগরিক সমর্থন দিয়ে সাক্ষর করেছেন যাদের বেশীর ভাগই ক্যাহোল ও জুলুভিল এর বাসিন্দা। পিটিশনে পরিবারটিকে ফ্রান্সে থাকতে দেয়ার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। এর পক্ষে জনমত গঠন করতে নিজ উদ্যোগে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে নরমান্ডি’র এই এলাকা দুটির বাসিন্দারা। এতে জনমত ক্রমেই বাড়ছে বলে জানা গেছে।

ফ্রান্সব্লু এর খবরে “উদ্দীন পরিবার” বলে পরিচয় করিয়ে দেয়া এ পরিবার ক্যাহোলে বসবাস করছেন দু বছর যাবত। মূলত তাদের বাংলাদেশে নিজ বসত ভিটা দুর্বৃত্তরা দখলে নিয়ে নেয় বলে জানা যায়। এর পর ২০১৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সে পৌছাঁয় পরিবারটি। তাদের চার মেয়ের মধ্যে তিন মেয়েরই জন্ম ফ্রান্সে, এদের মধ্যে বড় মেয়ে হুমায়রা জুলুভিলে একটি স্কুলে সিএম-টু তে, দু’জন নার্সারীতে পড়ছে আরেক জন ছোট শিশু।

এদিকে আদালত কর্তৃক তাদের সর্বশেষবারের মত আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ায়, জানুয়ারী থেকে তাদের উপর ফ্রান্স ত্যাগ করার আদেশ বহাল রয়েছে। তাদের ডিপোর্টেশন থেকে বাঁচাতে এলাকাবাসী পিটিশন চালু করে যা এখনও চালু আছে। গত ১৩ মার্চ শনিবার কালেক্টিভের উদ্যোগে মারিন-ম্যারি ডি ক্যাহোল স্কুলের সামনে গুরুত্বপূর্ন ৬০ জন ব্যাক্তি জড়ো হন যাদের মধ্যে আশেপাশের এলাকার মেয়র, কর্মকর্তা ও নির্বাচিত জননেতারাও ছিলেন।

এর ধারাবাহিকতায় ফ্রান্স ত্যাগের নির্দেশের বিপরীতে একটি আপীল উপস্থাপন করা হয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠনের মাধ্যমে।

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *