উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, যাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ হাজার ৭২৬ জন।
গত বছর এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৫৮ হাজার ২৭৬ জন।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ রোববার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন। বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা এসময় তার সঙ্গে ছিলেন।
এবার ৮টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৬৬ দশমিক ৮৪, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ হাজার ২৪২ জন। মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক ০২, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮১৫ জন। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৩৩। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬৬৯ জন।
এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ এপ্রিল। এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৬ জন।
পাসের হার কমার পাশাপাশি জিপিএ-৫ এ রীতিমত ধস নেমেছে। গতবারের চেয়ে এবার ২০ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ কম পেয়েছে, যা প্রায় অর্ধেক।
ফলাফলের সারসংক্ষেপে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমার চিত্র পাওয়া গেছে। অবশ্য পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমার পেছনে শিক্ষামন্ত্রী সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়নকে দায়ী করেছেন।
ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বরাবরের মতো এবারও আমরা সর্বোচ্চ কম সময়ে ফলাফল দেয়ার চেষ্টা করেছি। পরীক্ষা শেষের মাত্র ৫৯ দিনে ফল দেয়া সম্ভব হয়েছে। তবে এবার শিক্ষকেরা সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন করায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে গেছে।’
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফল হস্তান্তর শেষে দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট (http://www.educationboard.gov.bd) ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবে।
এছাড়া শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে এসএমএস করেও ফলাফল জানতে পারবে।
নিয়েছে।
গত ২ এপ্রিল থেকে ১৫ মে এইচএসসির তত্ত্বীয় এবং ১৬ থেকে ২৫ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

